সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
চিটাগাং টুডে
সর্বশেষ
চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলীর পানি বৃদ্ধি: কাপ্তাই বাঁধের কপাট খোলায় ফেরি চলাচল বন্ধ, উভয় পাড়ে তীব্র যানজট

চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলীর পানি বৃদ্ধি: কাপ্তাই বাঁধের কপাট খোলায় ফেরি চলাচল বন্ধ, উভয় পাড়ে তীব্র যানজট

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম):কাপ্তাই বাঁধে পানির স্তর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্ণফুলী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। এর ফলে সৃষ্ট তীব্র স্রোতের কারণে রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা ফেরি ঘাটে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় নদীর উভয় পাড়ে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পারাপারের অপেক্ষায় থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ যাত্রী, রোগী এবং চালকরা। জরুরি কাজে যাতায়াতকারীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন।ঘাট কতৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, কাপ্তাই হ্রদের পানির চাপ কমাতে স্পিলওয়ের গেটগুলো খুলে দেওয়ায় কর্ণফুলী নদীতে তীব্র স্রোতের সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক হয়েছে।পানি কমার ওপর নির্ভর করছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া। পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই রুটে যান চলাচল বন্ধ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নদী পারাপারের বিকল্প হিসেবে সাময়িকভাবে ছোট নৌকার ব্যবহার বাড়লেও দূরপাল্লার যানবাহন ও ভারী ট্রাফিকের ক্ষেত্রে স্থবিরতা কাটছে না।

ফ্যাটি লিভার ধরা পড়েছে? রোজ রাতে একটি জাদু পানীয়ে চুমুক দিলেই চাঙ্গা থাকবে শরীর

কেবল ওষুধ খেয়ে লিভারের মেদ ঝরানো সম্ভব নয়। তার জন্য কিছু বিশেষ পানীয় খেতে হয়। চিকিৎসক শতরূপা চট্টোপাধ্যায় এমনই এক পানীয়ের কথা জানালেন, যা লিভার সুস্থ রাখতে এবং লিভারের অসুখ সারাতে কাজে লাগবে। / ফ্যাটি লিভার ধরা পড়েছে? রোজ রাতে একটি জাদু পানীয়ে চুমুক দিলেই চাঙ্গা থাকবে শরীর

লিভারের রোগ সারে না, এমনই ধারণা অনেকের। তবে তা ভুল। যদি সঠিক সময়ে রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করা যায়, তবে লিভারের অসুখ সারিয়ে তোলা সম্ভব। দীর্ঘদিন ধরে লিভারের কোনও অসুখ থাকলে, জন্ডিস হয়ে থাকলে কিংবা অতিরিক্ত মদ্যপান করলে লিভারের ক্ষত বাড়তে থাকে। শুরুটা হয় ফ্যাটি লিভার দিয়ে, ধীরে ধীরে তা লিভারের জটিল রোগে পরিণত হয়, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে ‘লিভার সিরোসিস’।সচেতনতার অভাব ও রোজকার যাপনে অসংযমের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লিভারের রোগ অনেক দেরিতে ধরা পড়ে। লিভার ভাল রাখতে হলে খাওয়াদাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে আগে জরুরি। রোজ এমন কিছু খাবার ও পানীয় খাওয়া হয়, যা তলে তলে লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে দেয়। তাই কোনটি লিভারের জন্য ভাল ও কোনটি খারাপ, তা জেনে নেওয়া খুব জরুরি।লিভার মেদ তৈরি করে। রক্তের মধ্যে দিয়ে তা পেশিতে পৌঁছোয়। লিভার যতটা মেদ তৈরি করছে, আর যতটা খরচ করছে, তার মধ্যে যদি ভারসাম্য না থাকে, অর্থাৎ, মেদ বেশি হয়ে গেলে তা পরত হয়ে লিভারে জমতে থাকে। তখন চিকিৎসকেরা বলেন, ‘ফ্যাটি লিভার’ ধরা পড়েছে। সেই অবস্থায় কেবল ওষুধ খেয়ে লিভারের মেদ ঝরানো সম্ভব নয়। তার জন্য কিছু বিশেষ পানীয় খেতে হয়। চিকিৎসক শতরূপা চট্টোপাধ্যায় এমনই এক পানীয়ের কথা জানালেন, যা লিভার সুস্থ রাখতে এবং লিভারের অসুখ সারাতে কাজে লাগবে।চিকিৎসকের মতে, দেড় কাপ জলে এক টেবিলচামচ আদাকুচি মিশিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে জল অর্ধেক করে নিন। এ বার সেই জল ঈষদুষ্ণ হলে তাতে এক চা-চামচ মধু আর এক টেবিলচামচ লেবুর রস মিশিয়ে দিন। তা হলেই তৈরি হয়ে যাবে লিভারের জন্য জাদু পানীয়। শতরূপা বলেন, ‘‘রাতের খাবার খাওয়ার অন্তত ঘণ্টাদুয়েক পরে এই পানীয় খেয়ে নিতে হবে। রাতে ঘুমোনোর আগে এই পানীয় খেলে সবচেয়ে ভাল কাজ করে। আর যাঁদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তাঁরা সকালে এই পানীয় খান, উপকার পাবেন।’’

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ): নবীজির আদর্শ অনুসরণে বিশ্ববাসীর প্রতি শান্তির আহ্বান রেজভির

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ): নবীজির আদর্শ অনুসরণে বিশ্ববাসীর প্রতি শান্তির আহ্বান রেজভির

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও ভারপ্রাপ্ত দফতরে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।এই পবিত্র দিনে বিশ্বজগতে সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের আবির্ভাবের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর শুভাগমনে সারা দুনিয়ায় রহমতের অবারিত দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল। সততা, নম্রতা, উদারতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নবীজির প্রদর্শিত পথে চলার জন্য এই দিনটি একটি অনন্য উদাহরণ।পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেন:-বাণী“আজ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ), এই পবিত্র দিনে বিশ্বজগতে এক সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের আবির্ভাব হয়। এই শিশুর শুভাগমণে সারা দুনিয়ায় রহমতের অবারিত দ্বার উন্মোচিত হয়। সততা, নম্রতা, উদারতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং নবীজির প্রদর্শিত পথে চলার জন্য এই দিনটি এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহর অসীম শান্তি ও অফুরন্ত কল্যাণ কামনা করছি। তাদের জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বিশ্বমানবের নিকট এক অসাধারণ আলোকবর্তিকা, শান্তি-সংগ্রাম-সম্প্রীতি ও মূল্যবোধের আধার চরম সত্যবাদী ও পরম বিশ্বস্ত হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। তাঁর কালজ্বয়ী মূল্যবোধ, মানবতা, সহমর্মিতা, উদারতা, মানুষের প্রতি সহানুভুতি মানবজাতির নিকট চিরকালীন এক পরম শিক্ষা হয়ে থাকবে। কৈশোরকাল থেকেই তিনি মিথ্যার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা, যিনি কোনদিন আমানতের খেয়ানত করেননি, অন্যের উপকার করা যিনি পরম কর্তব্য বলে মনে করতেন। বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। পরম সত্যের সন্ধানে নিজেকে নিয়োজিত রেখে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুয়াত লাভ করেন। কঠোর পরিশ্রমী প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে তিনি তাওহিদের বাণী সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও। আল্লাহ তা’আলা পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোরআন মহানবীর (সাঃ) উপর অবতীর্ণ করেন, যা মানব জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে ইহলৌকিক ও পরলৌকিক মুক্তির যাবতীয় নির্দেশাবলী অনুশীলনের মাধ্যমে মানুষকে পরিপূর্ণ ও মর্যাদাশীল করে তোলে। তাঁর জীবন ও কর্ম অনুসরণের মাধ্যমে মুসলিমরা শৃঙ্খলিত মানুষের মুক্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠাসহ নিজেদের জীবনকে সুন্দর ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করার অনুপ্রেরণা পায়। আমি শেষ নবী সাইয়েদুল মুরসালিন হযরত মোহাম্মদ (সঃ)‘র প্রতি সালাম জানাই।আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

কোন ভিডিও নেই !
ঋণের ফাঁদ: ৩১ অবৈধ অ্যাপে লেনদেন না করতে সতর্কবার্তা

ঋণের ফাঁদ: ৩১ অবৈধ অ্যাপে লেনদেন না করতে সতর্কবার্তা

সহজ শর্তে দ্রুত ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে পরিচালিত অনুমোদনহীন মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ডিজিটাল মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম থেকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। একই সঙ্গে অ্যাপস বা ঋণদাতা প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ না নেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিএফআইইউর পক্ষ থেকে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। বিএফআইইউ জানিয়েছে, বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমে সহজ শর্তে ও দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। এসব অননুমোদিত অ্যাপ ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য, মোবাইল ফোনে থাকা যোগাযোগের তথ্য, ছবি এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করছে। পরবর্তীকালে ঋণ আদায়ের নামে গ্রাহকদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মতো অভিযোগও রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও আর্থিক নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বিএফআইইউ আরও জানায়, বাংলাদেশে ঋণ প্রদান একটি নিয়ন্ত্রিত আর্থিক কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন এবং প্রচলিত আইন ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো অনুসরণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না। এ ধরনের অননুমোদিত ঋণ কার্যক্রমে প্রতারণা, আর্থিক অপরাধ ও মানি লন্ডারিংয়ের ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে ঋণের প্রলোভনে অপরিচিত কোনো অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, ব্যক্তিগত ছবি, মোবাইলের যোগাযোগ তালিকা কিংবা অন্য কোনো সংবেদনশীল তথ্য না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিএফআইইউ। ঋণ দেওয়ার আগে অগ্রিম টাকা, নিবন্ধন ফি বা প্রসেসিং ফি দাবি করা হলেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিএফআইইউর নজরে আসা ৩১ অবৈধ বা অননুমোদিত ঋণদাতা অ্যাপগুলোর মধ্যে রয়েছে— সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়নজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, সাথি লোন, ক্যাশহোরা, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈর্য লোন, ফিন ডট ডু, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, অননুমোদিত এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রতারিত হলে কিংবা এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনাকারী কোনো অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপ, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানা থাকলে বিএফআইইউর কাছে অভিযোগ করা যাবে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় এ ধরনের কার্যক্রম থেকে সবাইকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাটি।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): ২৬ আগস্ট চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে দেশের ইতিহাসের ৫৫তম ঐতিহাসিক জশনে জুলুছ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): ২৬ আগস্ট চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে দেশের ইতিহাসের ৫৫তম ঐতিহাসিক জশনে জুলুছ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের অংশ হিসেবে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ইতিহাসের ৫৫তম গ্র্যান্ড জশনে জুলুছ। আগামী ২৬ আগস্ট এই সর্ববৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রা ও আনন্দ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (১৭ আগস্ট) নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে মূল তথ্য উপস্থাপন করেন আনজুমান ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মনজুর আলম মনজু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আনজুমান ট্রাস্টের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার।জুলুসের নেতৃত্ব ও বিশেষ অতিথিবৃন্দনেতৃত্ব: এবারের জশনে জুলুসে নেতৃত্ব দেবেন দরবারে সিরিকোটের অন্যতম সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ্ (মুদ্দাজিল্লুহুল আলী)।উপস্থিতি: জুলুসে আরও উপস্থিত থাকবেন দরবারের সাহেবজাদা হজরত সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ্ (মু. জি. আ.)এবং সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব শাহ্ (মু. জি. আ.)।ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালে আওলাদে রাসূল আল্লামা হাফেজ সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.) বাংলাদেশে এই জশনে জুলুসের শুভ প্রবর্তন করেন।জুলুসের সময়সূচি ও রুট ম্যাপতারিখ ও সময়: ২৬ আগস্ট, সকাল ৮:০০ টায় জুলুসের শুভ সূচনা হবে।প্রারম্ভিক স্থান: চট্টগ্রামের মুরাদপুরের ষোলশহর আলমগীর খানকা-এ কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া থেকে জুলুসটি শুরু হবে।রুট: নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন নির্ধারিত জুলুছ ময়দানে গিয়ে জমায়েত হবে।সমাপনী ও দোয়া: দুপুর ১২:০০ টায় বিশেষ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তীতে জোহরের নামাজ আদায় শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় আখেরি দোয়া পরিচালনা করা হবে।বিশেষ নির্দেশনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাজুলুসের সার্বিক শৃঙ্খলা এবং পবিত্রতা রক্ষার্থে আয়োজকদের পক্ষ থেকে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে:নিষেধাজ্ঞা: জশনে জুলুসে ড্রামসেট নিয়ে প্রবেশ, নারীদের অংশগ্রহণ এবং ছোড়াছুড়ি বা খাবার নিক্ষেপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা: পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি শৃঙ্খলা রক্ষায় আনজুমানের ১০ হাজার প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।নগরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ: জুলুসকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরী ও বিভিন্ন উপজেলায় সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। নগরীর সড়কদ্বীপ, সড়ক বিভাজক এবং অলিগলি আনজুমান ট্রাস্টের পতাকা, ফেস্টুন ও ব্যানারে সেজে উঠেছে।আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, বরাবরের মতো এবারও এই জশনে জুলুছ লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এক বিশাল জনসমুদ্রে রূপ নেবে।

ফ্যাটি লিভার ধরা পড়েছে? রোজ রাতে একটি জাদু পানীয়ে চুমুক দিলেই চাঙ্গা থাকবে শরীর

কেবল ওষুধ খেয়ে লিভারের মেদ ঝরানো সম্ভব নয়। তার জন্য কিছু বিশেষ পানীয় খেতে হয়। চিকিৎসক শতরূপা চট্টোপাধ্যায় এমনই এক পানীয়ের কথা জানালেন, যা লিভার সুস্থ রাখতে এবং লিভারের অসুখ সারাতে কাজে লাগবে। / ফ্যাটি লিভার ধরা পড়েছে? রোজ রাতে একটি জাদু পানীয়ে চুমুক দিলেই চাঙ্গা থাকবে শরীর

লিভারের রোগ সারে না, এমনই ধারণা অনেকের। তবে তা ভুল। যদি সঠিক সময়ে রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করা যায়, তবে লিভারের অসুখ সারিয়ে তোলা সম্ভব। দীর্ঘদিন ধরে লিভারের কোনও অসুখ থাকলে, জন্ডিস হয়ে থাকলে কিংবা অতিরিক্ত মদ্যপান করলে লিভারের ক্ষত বাড়তে থাকে। শুরুটা হয় ফ্যাটি লিভার দিয়ে, ধীরে ধীরে তা লিভারের জটিল রোগে পরিণত হয়, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে ‘লিভার সিরোসিস’।সচেতনতার অভাব ও রোজকার যাপনে অসংযমের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লিভারের রোগ অনেক দেরিতে ধরা পড়ে। লিভার ভাল রাখতে হলে খাওয়াদাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে আগে জরুরি। রোজ এমন কিছু খাবার ও পানীয় খাওয়া হয়, যা তলে তলে লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে দেয়। তাই কোনটি লিভারের জন্য ভাল ও কোনটি খারাপ, তা জেনে নেওয়া খুব জরুরি।লিভার মেদ তৈরি করে। রক্তের মধ্যে দিয়ে তা পেশিতে পৌঁছোয়। লিভার যতটা মেদ তৈরি করছে, আর যতটা খরচ করছে, তার মধ্যে যদি ভারসাম্য না থাকে, অর্থাৎ, মেদ বেশি হয়ে গেলে তা পরত হয়ে লিভারে জমতে থাকে। তখন চিকিৎসকেরা বলেন, ‘ফ্যাটি লিভার’ ধরা পড়েছে। সেই অবস্থায় কেবল ওষুধ খেয়ে লিভারের মেদ ঝরানো সম্ভব নয়। তার জন্য কিছু বিশেষ পানীয় খেতে হয়। চিকিৎসক শতরূপা চট্টোপাধ্যায় এমনই এক পানীয়ের কথা জানালেন, যা লিভার সুস্থ রাখতে এবং লিভারের অসুখ সারাতে কাজে লাগবে।চিকিৎসকের মতে, দেড় কাপ জলে এক টেবিলচামচ আদাকুচি মিশিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে জল অর্ধেক করে নিন। এ বার সেই জল ঈষদুষ্ণ হলে তাতে এক চা-চামচ মধু আর এক টেবিলচামচ লেবুর রস মিশিয়ে দিন। তা হলেই তৈরি হয়ে যাবে লিভারের জন্য জাদু পানীয়। শতরূপা বলেন, ‘‘রাতের খাবার খাওয়ার অন্তত ঘণ্টাদুয়েক পরে এই পানীয় খেয়ে নিতে হবে। রাতে ঘুমোনোর আগে এই পানীয় খেলে সবচেয়ে ভাল কাজ করে। আর যাঁদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তাঁরা সকালে এই পানীয় খান, উপকার পাবেন।’’

লাইফ স্টাইল

কোন পোস্ট নেই !
অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

সাহিত্য

কোন পোস্ট নেই !

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা